এর পর ত ‘বর্ষামঙ্গল’লিখে ফেল্বি”—বলেছিল সে। মুখ টিপে হেসে। সবে মাত্র  তাকে শুনিয়েছি এক শহুরে বর্ষামুখর গান। “তা নয় হল,কিন্তু তাতে কি বরষা আমার প্রেয়সী  হবে? তার কতো প্রেমিক তুই জানিস্? কত যুগ ধরে কত কবি গেয়ে গেল তার গান। কত আঁকিয়ে তুলির টানে তাকে সাজালো। আমি আর কি এমন। ” খানিক অভিমান নিয়ে বলেছিলাম। সে কি বুঝেছিল কে জানে।
“ওই দ্যাখ্!” বলে সে আমায় দেখিয়েছিল এক শ্রাবণ বিকেলের পশ্চিমাকাশ। এক পশ্লা বৃষ্টির পর অস্তগামী সূর্যের গোলাপী হলুদ গেরুয়া আভা যেন আঁকছিল এক রুপকথা। আর সেই রুপকথার খানিক ছোঁয়াচ  এসে পড়ছিল তার কপালে গালে চিবুকে। আমি আরেকবার ঝিরঝিরে রুপালী জলবিন্দু হতে চাইছিলাম ভীষণ। শুধু তার হয়ে থাকবো বলে। আমার বরষার।

Comments

Popular posts from this blog

How many times, love,

Still remember the day